উদ্ভিদ পরিচিতি: থানকুনি একটি অতি পরিচিত
ভেষজ গুণাগুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদ। আদিকাল থেকেই এই উদ্ভিদটি ঘরোয়া ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে
আসছে। এটি একটি বিরুত জাতীয় উদ্ভিদ। ছোট্ট প্রায়
গোলাকৃতি পাতার মধ্যে
রয়েছে ওষুধি সব গুণ।থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।
বাংলা নাম: থানকুনি
ইংরেজী নাম: Centella
বা Indian pennywort
বৈজ্ঞানিক নাম: Centella asiatica
স্থানীয় নাম: বিভিন্ন অঞ্চলে থানকুনি পাতাকে বিভিন্ন নামে ড়াকা হয়। যেমন- মানামানি, থুলকুড়ি, আদামনি, তিতুরা, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, মানামানি, ধূলাবেগুন, টেয়া
নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে
সবাই চেনে।
অবস্থান: থানকুনি সহজলভ্য একটি
উদ্ভিদ। এটি আমাদের বাড়ির আশেপাশে ঝোপঝাড়ে পাওয়া যায়।তবে এটি শুষ্ক ও স্যাঁতস্যাঁতে
জায়গায় বেশি পাওয়া যায়।পুরনো বাড়ির আশেপাশে, রাস্তার ধারে, ক্ষেতের আইলে বেশি পা্ওয়া।
স্হানীয় বয়স্ক ব্যক্তির নিকট খোঁজ করলে খুব সহজেই পাওয়া যাবে।
চেনার উপায়: এটি ছোট গোলাকার পাতা
বিশিষ্ট একটি উদ্ভিদ। লম্বা সরু বোটাযুক্ত গোলকার পাতার রং সবুজ।পাতাগুলোর চারিপাশে
ছোট ছোট খাজ কাটা থাকে।
ব্যবহারিত অঙ্গ: পাতা, মূল
উপকারিতা:
১।আমাশয় ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।
২। আনবিক মেডিসিন ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল" এর ডিসেম্বর, 2012 সংখ্যায় প্রকাশিত একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে
যে,থানকুনি পাতা স্কিন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
৩।থানকুনি পাতা চুল পড়া বন্ধ করে।
৪।থানকুনি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫।ত্বকের লাবন্যতা ফিরিয়ে আনে।
সেবনবিধি: প্রতিদিন
সকালে ৭/৮ টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়।তাছাড়া থানকুনি পাতার রস নিয়মিত
খেলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে ও ত্বকের লাবণ্যতা ফিরে আসে। আপনি মাঝে
মাঝে থানকুনি পাতা ভর্তা করে গরম ভাতের সাথে খেতে পারেন যা
আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করবে।
মন্তব্য: থানকুনি পাতার অনেক
গুণাগুণ আছে যা আপনারা নিয়মিত খেলে নিজেরাই এর ফলাফল পাবেন।


No comments:
Post a Comment